Connect with us

জাতীয়

নির্বাচনে নারীর ৩৩ শতাংশ অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করার দাবি

Digital Darpan

Published

on

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০০ সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচন এবং রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনয়নে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে এ প্রস্তাব দেয় ফোরামটি।

লিখিত প্রস্তাবে তারা জানায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন এবং সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম’ নির্বাচন কমিশনকে একটি লিখিত প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবনায় ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে নারীদের জন্য প্রস্তাবিত ১০০টি সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের বিধান প্রবর্তন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সাধারণ আসনে ৩৩ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী নারীর রাজনৈতিক অধিকার সুরক্ষিত হবে এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করে সংগঠনটি।

সংগঠনের মূল প্রস্তাবগুলো হচ্ছে—

সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচন : ফোরামের প্রধান দাবি হলো, সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করা হোক এবং এই আসনগুলোতে সরাসরি জনগণের ভোটে নারী প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হবেন। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, বর্তমানে দলীয় মনোনয়নের মাধ্যমে নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যরা জনগণের কাছে সরাসরি জবাবদিহিতার বাইরে থাকেন, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থি।

নারী প্রার্থীর বাধ্যতামূলক মনোনয়ন : আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের মোট প্রার্থীর মধ্যে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ৫০%-এ উন্নীত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। এই বিধান মানতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা বাতিল করার মতো কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

দলীয় কাঠামোতে নারী নেতৃত্ব : প্রস্তাব অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলগুলোর জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সব কমিটিতে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে অন্তত ২৫% এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ৩৩ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানানো হয়েছে।

নির্বাচনী ব্যয়ের রাষ্ট্রীয় সহায়তা : নারী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নির্ধারিত ব্যয়সীমার সমপরিমাণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অনুদান হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল নারী প্রার্থীরাও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারবেন।

হয়রানি প্রতিরোধে নীতিমালা : নারী রাজনীতিবিদ ও প্রার্থীদের অনলাইন এবং অফলাইন হয়রানি থেকে রক্ষা করতে সুনির্দিষ্ট আইন এবং কার্যকর অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য অভ্যন্তরীণ আচরণবিধি প্রণয়নেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

‘না ভোট’ এর অধিকার : সব নির্বাচনী আসনে ‘না ভোট’ (None of the Above – NOTA) প্রদানের বিধান ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে, যা পূর্বে ২০০৮ সালের আরপিওতে থাকলেও পরবর্তীতে বাতিল করা হয়। এটি ভোটারদের কোনো প্রার্থীকেই যোগ্য মনে না হলে তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দেবে এবং প্রার্থীদের জনগণের প্রতি আরও দায়বদ্ধ হতে বাধ্য করবে।

প্রস্তাবনায় ফোরামটি উল্লেখ করেছে, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে নারীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও, রাজনৈতিক কাঠামোতে তাদের অবদান যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। বর্তমানে সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বাড়লেও, তা নারীর প্রকৃত রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বা নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি করেনি। এর ফলে সংসদীয় কাঠামোতে নারীর সংখ্যা বাড়লেও তাদের ভূমিকা কার্যকর নয়।

লিখিত প্রস্তাবে ফোরাম জানায়, তারা বিশ্বাস করে যে এই প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা সংবিধানে উল্লিখিত সমঅধিকার এবং জবাবদিহিমূলক শাসনের মূল নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তারা নির্বাচন কমিশনকে এই প্রস্তাবগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আরপিও সংশোধনী প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যথায়, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক অংশের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো মৌলিক পরিবর্তন না এলে তা বৈষম্যমূলক নীতিকেই পুনর্বহাল করবে বলে ফোরামটি সতর্ক করেছে।

S

জাতীয়

নির্বাচন কোথা থেকে করব, সেই ঘোষণা এখনও দিইনি : আসিফ মাহমুদ

Published

on

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা জানালেও কোন দল থেকে বা কোন আসন থেকে করবেন; সেটি স্পষ্ট করেননি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বরের) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন করব ঘোষণা দিয়েছি, কিন্তু কোথা থেকে করব; সেই ঘোষণা এখনো দিইনি।

নির্বাচন করলে সরকার থেকে পদত্যাগের একটি বিষয় আছে, তাহলে কখন পদত্যাগ করতে পারেন— এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কেবল আমরা দুজন ছাত্র উপদেষ্টাই নয়, আরও যারা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা হিসেবে আছেন, তাদের কেউ কেউ নির্বাচন করবেন বলে কথা আছে।

তিনি আরও বলেন, আসলে কোনো আইন বা বিধান নেই যে উপদেষ্টা থেকে কিউ নির্বাচন করতে পারবে না। তবে স্বার্থের সংঘাত ঘটে এমন পদে থেকে নির্বাচন করা উচিত না। আমি মনে করি, যে বা যারাই নির্বাচনে অংশ নেবেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আগে তাদের পদত্যাগ করা প্রয়োজন। সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে কথা বলে আপনাদের জানাব।

উপদেষ্টা আরও বলেন, কোনোকিছুই এখনো চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত হলে জানতে পারবেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, অবশ্যই কোনো অনিয়ম হলে দুদক সেটা তদন্ত করতে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের কোনো সহায়তার প্রয়োজন হলে আমরা সেটা দুদককে করব।

কোন দল থেকে নির্বাচন করবেন— জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন আমি কিছু বলছি না। এখন রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া ঠিক হবে না। যথাসময়ে আপনারা জানতে পারবেন।

S

Continue Reading

জাতীয়

তফসিলের আগে ফের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে ইসি

Published

on

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তফসিল ঘোষণার আগে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আবার বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের নিরাপত্তা কৌশল পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করতেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সকাল সাড়ে ১০টায় এই বৈঠক শুরু হয়েছে। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার, স্বরাষ্ট্র সচিব, ইসি সচিবসহ বাহিনী ও সংস্থার শীর্ষ ব্যক্তিরা অংশ নিয়েছেন।

জানা গেছে, আজকের বৈঠকে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পর্যালোচনা করে ইসির পক্ষ থেকে একটি সমন্বিত কর্মকৌশল নির্ধারণের নির্দেশনা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে, ভোটের আগে ও পরে কতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে মোতায়েন থাকবে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কতজন সদস্য নিয়োজিত থাকবে, সে বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

এর আগে, গত ২০ অক্টোবর প্রথম দফা প্রাক-প্রস্তুতিমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। ওই সভায় ভোটের আগে ও পরে মোট আট দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের একটি প্রস্তাব আসে। সবমিলিয়ে, এবারের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য থাকার বিষয়েও আলোচনা হয়।

ইসি জানায়, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে বাহিনীর মোতায়েন সংখ্যা ও সময়কাল আজকের বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত করা হবে।

S

Continue Reading

জাতীয়

ভোটার নিবন্ধনের অঞ্চলভিত্তিক সময়সীমা তুলে নিল ইসি

Published

on

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অঞ্চলভিত্তিক সীমাবদ্ধতা এবং পাঁচ দিনের সময়সীমা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ঘোষণার ফলে এখন থেকে প্রবাসীরা বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে, যেকোনো সময় নিবন্ধন করতে পারবেন। আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে টিকটকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, পূর্বনির্ধারিত পদ্ধতিতে বিশ্বকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের জন্য পাঁচদিন করে সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে, আজ রাত ১২টার পর (অর্থাৎ ২৭ তারিখ) থেকে সেই অঞ্চলভিত্তিক সীমাবদ্ধতা এবং পাঁচদিনের সময়সীমা তুলে নেওয়া হচ্ছে। প্রবাসীরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে তাদের সুবিধামত সময়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন। নিবন্ধনের শেষ তারিখ ১৮ ডিসেম্বর অপরিবর্তিত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

নিবন্ধন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করার ফলে কিছু কারিগরি ত্রুটি দেখা যেতে পারে বলে সচিব স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ঠিকানা কাঠামোর কারণে কিছু জায়গায় ওটিপি পৌঁছায়নি—এমন সমস্যা আমরা পেয়েছি। যেসব ত্রুটি পাওয়া যাবে, সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধনের চেষ্টা করা হবে। ইসি সচিব আরও আশ্বস্ত করেন যে, তাদের টেকনিক্যাল সহকর্মীরা এই সমস্যাগুলো অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দ্রুত সমাধান করবেন।

একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের পুরো প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মক ভোটিং (রিকহার্সাল) আয়োজনের কথাও জানান ইসি সচিব।

তিনি বলেন, আগামী শনিবার সকাল ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত শেরে বাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মক ভোটিং করব। এই মক ভোটিংয়ের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে— কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি, সমন্বয় প্রয়োজন কি না, এবং ভোটকক্ষ বা জনবল বাড়ানো বা কমানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে হওয়ার অধ্যাদেশ গতকাল জারি হয়েছে উল্লেখ করে আখতার আহমেদ বলেন, দায়িত্বের আভাস পাওয়ার পর থেকেই আমরা মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছি। কাগজে-কলমে ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতিও আগেই শুরু করা হয়েছে। আপনারা বরং খুশি হবেন যে, আমরা অগ্রিম প্রস্তুতি নিয়ে কাজ এগিয়ে রাখছি।

S

Continue Reading