Connect with us

Uncategorized

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার অবস্থা এখন নেই : মির্জা ফখরুল

Digital Darpan

Published

on

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থাতেই রয়েছেন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে তার চিকিৎসা চলছে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। বিজয়ের মাসে মশাল রোড শো কর্মসূচি ঘোষণা দিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন যে আমাদের বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেত্রী গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা কিছু সংকটাপন্ন।’

তিনি আরও বলেন, দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা, বিদেশের আমেরিকার জন হপকিংস এবং লন্ডনের লন্ডন ক্লিনিকের বিশিষ্ট চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা করছেন।

২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষা নিরীক্ষায় বুকে ‘সংক্রমণ’ ধরা পড়ায় তাকে সেখানে ভর্তি করা হয়।

অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।

গত দুদিন ধরে তার অবস্থা ‘সংকটপন্ন’ হলে বিএনপির পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে শুক্রবার সারাদেশে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান করে।

‘বিদেশে নেওয়ার অবস্থা এখন নেই’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গতকাল রাতে তারা একটা বোর্ড মেডিকেল বোর্ডে সভা করেছেন…. প্রায় দুই ঘণ্টা আড়াই ঘণ্টা ধরে এবং সেখানে তার চিকিৎসার ব্যাপারে সমস্ত চিকিৎসকদের মতামত নিয়ে তারা কথা বলেছেন। কীভাবে চিকিৎসা তারা করবেন এবং সেই চিকিৎসাটা কী ধরনের হবে সে বিষয়ে তারা মতামত দিয়েছেন নিজেদের মেডিকেল বোর্ডে।

তিনি আরও বলেন, তাকে (ম্যাডামকে) বিদেশে নেওয়া বিষয়ে তারা বলছেন যে, হয়ত প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু তার এখন যে শারীরিক অবস্থা সে অবস্থায় তাকে বিদেশে নেওয়ার মতো কোনো শারীরিক অবস্থা নেই। শারীরিক অবস্থা আল্লাহর অশেষ রহমতে যদি স্টেবল হয় তখন চিন্তা করে দেখা হবে যে, তাকে বিদেশে নেওয়া সম্ভব হবে কি না।

‘বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি কাজ সেরে রাখা হয়েছে’

মির্জা ফখরুল বলেন, তবে বিদেশে নেওয়ার জন্য যে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো রয়েছে- আপনার ভিসা, অন্যান্য দেশের সঙ্গে যেসব দেশে যাওয়ার সম্ভব হতে পারে, সেসব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের বিষয় নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। সেগুলোর কাজ মোটামুটি এগিয়ে আছে।

তিনি বলেন, যদি প্রয়োজন হয় এবং যদি দেখা যায় ‘‘শি ইজ রেডি টু ফ্লাই’ তখন তাকে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।

‘এভারকেয়ার হাসপাতালে ভিড় করবেন না’

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের মাধ্যমে গোটা দেশবাসীর কাছে জানাতে চাই যে, স্বাভাবিকভাবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী এবং তার অসুস্থতায় মানুষ সবাই সব মানুষই উদ্বিগ্ন উৎকণ্ঠিত। অসংখ্য মানুষ হাসপাতালে ভিড় করছেন। এতে করে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ এবং চিকিৎসকরা অত্যন্ত বিব্রত বোধ করছেন। তারা চিকিৎসা কার্য চালাতে ম্যাডামেরটাও এবং একসঙ্গে অন্যান্য যারা রোগী আছেন তাদেরটা বিঘ্ন সৃষ্টি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি সংশ্লিষ্ট সবার কাছে অনুরোধ জানাতে চাই যে, আপনারা কেউ দয়া করে হাসপাতালে ভিড় করবেন না। অনুগ্রহ করে বিএনপি নেতাকর্মী, তার শুভাকাঙ্ক্ষী বা দেশের মানুষ তারা দয়া করে হাসপাতালে ভিড় করবেন না। আমরা সময় মত আপনাদের তার হেলথ বুলেটিন সম্পর্কে জানানো হবে সেটা আপনারা জানবেন। কিন্তু আবার অনুরোধ করছি দয়া করে কেউ সেখানে উপস্থিত হবেন না।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের সাধারণ সম্পাদক একে এম কামরুজ্জামান নান্নু এবং বিজয়ের রোড শো কর্মসূচি উদযাপন কমিটির সদস্য জুবায়ের বাবু।

S

Uncategorized

রাকসু নির্বাচনে ৬৯.৮৩ শতাংশ ভোট পড়েছে

Published

on

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভোটগ্রহণ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

জানা গেছে, রাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ২৮ হাজার ৯০৯ জন। এর মধ্যে ভোট কাস্ট হয়ছে ২০ হাজার ১৮৭টি। সেই হিসেবে ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে সৈয়দ আমির আলী হলে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে বেগম রোকেয়া হলে ৫৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।

কোন হলে কত ভোট পড়েছে

ছেলেদের হলগুলোর মধ্যে শেরে বাংলা ফজলুল হক হলে ভোটার ৯৯৩ জন। ভোট দিয়েছেন ৭৩৪ জন। ভোটার উপস্থিতি ৭৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। শাহমখদুম হলের ১ হাজার ৪০৯ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৯৫ জন। ভোটার উপস্থিতি ৭৭ দশমিক ৭১ শতাংশ।

নবাব আব্দুল লতিফ হলের ভোটার ১ হাজার ১১৩ জন। এর মধ্যে ৭৭০ জন ভোট দিয়েছেন। এ হলের ভোটার উপস্থিতি ৬৯ দশমিক ১৮ শতাংশ। সৈয়দ আমির আলী হলের ১ হাজার ২৩৩ জন ভোটারের মধ্যে ৯৫৯ জন ভোট দিয়েছেন। ভোট পড়ার গড় হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

সৈয়দ শামসুজ্জোহা হলের ২ হাজার ৪৪৬ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৭৫০ জন। ভোটার উপস্থিতি ৭৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ। সৈয়দ হবিবুর রহমান হলের ২ হাজার ৪৪৬ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৭৫০ জন। ভোটার উপস্থিতি ৭১ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

এদিকে মতিহার হলের ভোটার ১ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৭০ জন ভোট দিয়েছেন। ভোটার উপস্থিতি ৭৩ দশমিক ২২ শতাংশ। মাদার বখশ হলের ১ হাজার ৮৭৮ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৩৩৮ জন। এখানে ভোটার উপস্থিতি ৭১ দশমিক ২৫ শতাংশ। শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ভোটার ছিলেন ১ হাজার ৯৬৩ জন। এরমধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৪০৭ জন। ভোটার উপস্থিতি ৭১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে ভোটার ১ হাজার ৮৬২ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৪৫ জন ভোট দিয়েছেন। এ হলের ৭৭ দশমিক ৬০ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। বিজয়-২৪ হলের ১ হাজার ৫২৯ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ১২৯ জন ভোট দিয়েছেন। ভোট পড়ার হার ৭৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

মেয়েদের হলগুলোর মধ্যে মন্নুজান হলের ভোটার ২ হাজার ৩৮১ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৯৮ জন ভোট দিয়েছেন। ভোট পড়ার হার ৬৭ দশমিক ১১ শতাংশ। বেগম রোকেয়া হলের ২ হাজার ১৭৩ জনের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ২৯৫ জন। ভোট পড়ার হার ৫৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।

তাপসী রাবেয়া হলের ভোটার ১ হাজার ২৪১ জন। এর মধ্যে ৭৯০ জন ভোট দিয়েছেন। ভোটার উপস্থিতি ৬৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ। বেগম খালেদা জিয়া হলের ভোটার ১ হাজার ২৭৫ জন। এর মধ্যে ৭৮৪ জন ভোট দিয়েছেন। ভোটার উপস্থিতি ৬১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

রহমতুন্নেসা হলের ভোটার ১ হাজার ৭৬৬ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭২ জন ভোট দিয়েছেন। ভোট পড়ার হার ৬০ দশমিক ৭০ শতাংশ। আর জুলাই-৩৬ হলের ২ হাজার ৪৭২ জনের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ৬৫৩ জন। এ হলের ভোটার উপস্থিতি ৬৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

এর আগে সকাল ৯টায় একযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি ভবনে স্থাপন করা ১৭টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। স্বতঃস্ফূর্তভাবে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে প্রতিটি কেন্দ্র থেকে ব্যালট বক্সগুলো নিয়ে আসা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে। সেখানে ভোট গণনা করা হবে।

S

Continue Reading

Uncategorized

পিআর ইস্যুতে আন্দোলনের লক্ষ্যই হচ্ছে নির্বাচন বিলম্বিত করা : ফখরুল

Published

on

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পিআর পদ্ধতির দাবিতে আন্দোলনের লক্ষ্যই হচ্ছে নির্বাচন বিলম্বিত করা, যা জনগণ গ্রহণ করবে না।

রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ের মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এ কথা তিনি। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির উদ্যোগে ডেমোক্র্যাটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনির দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভা হয়।

তিনি বলেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল পিআর পদ্ধতি নিয়ে কথা বলছে এবং যেটার জন্য তারা আন্দোলন করছে। এর লক্ষ্য একটাই, সেটি হচ্ছে নির্বাচন বিলম্বিত করা, জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার যে প্রক্রিয়া সেই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করা।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, পিআর পদ্ধতি এই দেশের মানুষ গ্রহণ করবে না। আমাদের দলের পক্ষ থেকে তো আমরা স্পষ্ট করে বলেছি। এখন বলছি, জনগণই এই পদ্ধতি গ্রহণ করবে না, চাপিয়ে দেওয়া কোনো কিছু এদেশের মানুষ গ্রহণ করবে না।

তিনি বলেন, একটা কথা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই। আমরা খুব দ্রুত অর্থাৎ যে কমিটমেন্টটা আছে এই সরকারের অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবের, ২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই এই নির্বাচন হবে। আমরা সেটাই দেখতে চাই। জনগণ নির্বাচন দেখতে চায়। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে চায় এবং গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই জনগণ তাদের আশা আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ করতে চায়।

নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা জানি যে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে যেকোন দল জয়ী হতে পারে জনগণের ইচ্ছার ওপর। কিন্তু সেই দলকেই জনগণ বেছে নেবে। যে দল পরীক্ষিত অতীতে যারা পরীক্ষা দিয়েছে অর্থাৎ সরকারে ছিল কাজ করেছে। যেই দল মানুষকে আশার আলো দেখিয়েছে, যেই দল অন্ধকার থেকে আলোতে টেনে নিয়ে এসেছে।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই এই দেশে প্রথম সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযোজন করেছিলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম এই দেশের সংবিধানে আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস এই কথাটি রেখেছিলেন। এখন কিছু দল সেগুলোকে বিকৃত করে বিভিন্নভাবে এই বিএনপিকে চিত্রায়িত করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, যারা বয়স কম তারা জানে না, যাদের বয়স একটু বেশি তারা দেখেছেন ১৯৭৫ সাল নভেম্বর কী অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জি রহমানের নেতৃত্বে এই দেশের মানুষ সেই ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বেরিয়ে এসে সম্পূর্ণভাবে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য নতুন করে তখন স্বনির্ভর বাংলাদেশ তৈরি করার কাজে ঝাপিয়ে পড়েছিল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ঠিক একইভাবে আজকে আবার আমরা সবাই এক হয়েছি। এক হয়েছি আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে, আমরা অবশ্যই বাংলাদেশকে আবার একটা স্বনির্ভর, আত্মমর্যাদা সম্পন্ন একটি বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, সেই বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই।

অনেক ষড়যন্ত্র

মির্জা ফখরুল বলেন, অনেক ষড়যন্ত্র আছে, চক্রান্ত আছে। সমস্ত ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত পরাজিত করার শক্তি বাংলাদেশের মানুষের আছে।

তিনি আরও বলেন, এই সামনের যে পরীক্ষা সেই পরীক্ষা কঠিন পরীক্ষা। প্রতিদিন আপনাদের এই ইউটিউব, টেলিভিশন, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম সত্য-মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

একাত্তর মুছে ফেলা যাবে না

মির্জা ফখরুল বলেন, কিছুসংখ্যক মানুষ চেষ্টা করে আমাদের ১৯৭১ সালের ইতিহাসকে ভুলিয়ে দিতে। এটাও সবসময় মাথায় রাখতে হবে যে, একাত্তরে যুদ্ধ হয়েছিল বলেই আমরা স্বাধীন হয়েছিলাম, স্বাধীন হয়েছিলাম বলেই আজকে আমরা নতুন রাষ্ট্রের নতুন চিন্তা করতে পারছি, স্বাধীন হয়েছিলাম বলেই কিন্তু আমরা আজকে এই বাংলাদেশকে বাংলাদেশের মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করার যে সংগ্রাম সেই সংগ্রামে অংশ নিতে পারছি।

তিনি বলেন, আমরা লড়াই করেছি, যুদ্ধ করেছি। আমাদের মধ্যে এখানে অনেকে আছেন যারা সেই যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা পরবর্তীকালে গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোতে অংশ নিয়েছেন, এই চব্বিশে অংশ নিয়েছেন। আমরা সবাই এই যুদ্ধগুলোতে অংশ নিয়েছি। শুধু একটামাত্র লক্ষ্য যে, আমরা বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধ একটা বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেই কথাটি মাথায় রেখে আমরা যেন সামনের দিকে এগিয়ে যাই।

আলাউদ্দিনের চেরাগ নয়

মির্জা ফখরুল বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বয়স এক বছর ৪ মাস হয়েছে। এই ১৪ মাসে রাতারাতি আলাউদ্দিনের চেরাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটা খুব সুন্দর বানিয়ে ফেলবে এই আশা জনগণ করে না এই সরকারের কাছ থেকে। কিন্তু প্রক্রিয়াটা শুরুটা চায়… চায় যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হোক যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমরা একটা নতুন বাংলাদেশ দেখতে পাবো।

তিনি বলেন, আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন, যে আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেব তিনি তার একটা ইন্টারভিউ একটা সাক্ষাৎকার বিবিসিতে। সেখানে তিনি এই প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছেন এবং কীভাবে তিনি দেশের সমস্যার সমাধান করতে চান সেই সমস্যাগুলো তিনি তুলে ধরেছে… সেই কথাগুলো তিনি বলেছেন, ফিন্যাশনাল টাইমসেও তিনি একইভাবে কথাগুলো বলেছেন।

বেকার সমস্যাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে বিএনপি ইতোমধ্যে কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করেছে এবং ‘অনেক কাজ সম্পন্ন’ করে রাখা হয়েছে বলেও জানান বিএনপি মহাসচিব।

ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় জাগপার খন্দকার লুফুর রহমান, গণদলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, সাম্যবাদী সৈয়দ নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের এমএন শাওন সাদিকী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

S

Continue Reading

Uncategorized

শহিদুল আলমসহ নৌবহর থেকে আটক ব্যক্তিদের কারাগারে নিয়েছে ইসরায়েল

Published

on

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ গাজা অভিমুখী নৌবহর ফ্রিডম ফ্লোটিলা থেকে আটক অধিকারকর্মীদের একটি অংশকে ইসরায়েল কেৎজিয়েত কারাগারে স্থানান্তর করেছে।

ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন এবং ইসরায়েলের আরব সংখ্যালঘুদের নিয়ে কাজ করা মানবাধিকার সংস্থা আদালাহ’র বরাত দিয়ে দৃক এ তথ্য জানিয়েছে।

দৃক এক বিবৃতিতে বলেছে, “ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ও আদালাহ’র মাধ্যমে আমরা জেনেছি, শহিদুল আলমসহ সাংবাদিক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও নাবিকদের সবাইকে কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ফ্লোটিলার সদস্যরা জানিয়েছেন, জাহাজ দখলের পর থেকে তারা ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত কেৎজিয়েত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র। সেখানে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শহিদুল আলম দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের নৃশংসতা বন্ধ এবং গাজায় ইসরায়েলি নৌ অবরোধ ভাঙার প্রত্যয় নিয়ে ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন নৌযাত্রা শুরু করেছিল গাজা অভিমুখে। ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের দাবিতে আত্মপ্রকাশ করা আরেক উদ্যোগ থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজার আটটি নৌযানও এ যাত্রায় অংশ নিয়েছিল। মোট ৯টি নৌযানের এ বহরে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মীরা যোগ দিয়েছিলেন। সেই দলে ছিলেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। গতকাল বুধবার ওই নৌবহরে আক্রমণ করে সব অধিকারকর্মী ও নাবিককে ধরে নিয়ে যান ইসরায়েলি সেনারা।

‘থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা’ আজ বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছে, ইসরায়েল বেআইনিভাবে ফ্লোটিলা থেকে ১৪৫ জনকে আটক করেছে। তাদের অনেককে কেৎজিয়েতে মারধর ও অপদস্থ করা হয়েছে। আদালাহ’র আইনজীবীরা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পোস্টে আরও বলা হয়, আজই আটক ব্যক্তিদের মুক্তি বিষয়ে আদালতে শুনানি হতে পারে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের পূর্ণ আইনি সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে।

গত বুধবার ইসরায়েলি বাহিনী নৌবহরটিতে আক্রমণ করে এবং সেখানে থাকা অধিকারকর্মী ও নাবিকদের আটক করে নিয়ে যায়। পরে তাদের আশদোদ বন্দরে নিয়ে গিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শেষে কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়।

S

Continue Reading